আজঃ বৃহস্পতিবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং, আরবিঃ ১৫ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী, বাংলাঃ ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল, এখন সময় সকাল ১১:৫৮
এইমাত্র পাওয়া

পায়ে ‘ফোড়া’, কোর্টে যাননি খালেদা জিয়া

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য থাকলেও পায়ে ‘ফোড়া’ ওঠায় মূল আসামি খালেদা জিয়াকে গতকাল বুধবার আদালতে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ। তাই শুনানি পিছিয়ে আগামী ২৪ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ মো. দিলজার হোসেনের আদালতে এ মামলায় গতকাল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৮ আসামির বিরুদ্ধে

অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। এই শুনানিতে খালেদাকে আদালতে হাজির করতে গত ১০ জানুয়ারি প্রডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেছিলেন একই বিচারক।

দুর্নীতির দুই মামলায় সাজা নিয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডের কারাগারে আছেন বিএনপিপ্রধান। তাঁকে অসুস্থতাজনিত কারণে গতকাল পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে হাজির করা যায়নি বলে আদালতে প্রতিবেদন দেয় কারা কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়ার পায়ে ফোড়া হয়েছে।

গতকাল শুনানির সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পায়ে ফোড়া হওয়ার কারণে তাঁকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতেও শুনানি হতে পারে।’

এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, ‘আসামির অনুপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির কোনো সুযোগ নেই।’ অন্য এক আসামির আইনজীবী তাজুল ইসলামও বলেন, ‘কোনো আসামির অনুপস্থিতিতে শুনানির সুযোগ নেই।’

এ সময় আদালত বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে মামলাটি ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করার। কাজেই আগামী ২৪ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হলো।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় গ্যাটকো কেলেঙ্কারির এ মামলা করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে  গ্রেপ্তার করা হয়। পরের বছর ১৩ মে খালেদাসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেন।

দুদক আইনে গ্যাটকো মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৮ সালে রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। তাঁর আবেদনে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটি কেন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হবে না—এ মর্মে রুল জারি করেন। ২০১৭ সালে হাইকোর্ট এই রুল খারিজ করে দেন। ফলে খালেদা জিয়াসহ সব আসামির বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম আবার শুরু হয়।

Check Also

শাহনাজের বাইকটি উদ্ধার হয়েছে

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ উবারে মোটরসাইকেল চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত হওয়া নারী শাহনাজ আক্তারের বাহনটি …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।