আজঃ রবিবার, ২১শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং, আরবিঃ ১৪ই শাবান, ১৪৪০ হিজরী, বাংলাঃ ৮ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, গ্রীষ্মকাল, এখন সময় রাত ৪:৩৪
এইমাত্র পাওয়া

সিনিয়রে রেকর্ড গড়তে চাই

মেয়েদের হাই জাম্পে আশা দেখাচ্ছেন জান্নাতুল। বিকেএসপির এই অ্যাথলেট জুনিয়র অ্যাথলেটিকসের অনূর্ধ্ব-১৭ বছর গ্রুপে রেকর্ড গড়েছিলেন আগেরবার। কাল নতুন রেকর্ড গড়লেন অনূর্ধ্ব-১৯ গ্রুপে। এবার সিনিয়র মিটে চোখ তাঁর, স্বপ্ন দেখেন এসএ গেমসেও পদক জয়ের। কাল ইভেন্ট শেষে সে প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে

টানা দুই বছর রেকর্ড গড়লেন, কেমন লাগছে?

জান্নাতুল : ভালতো লাগছেই। কারণ এটাই আমার লক্ষ্য ছিল। আমি ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। গত বছর অনূর্ধ্ব-১৭ বছর গ্রুপে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছিলাম। এবার অনূর্ধ্ব-১৯ গ্রুপেও তাই হলো। এখন আমার লক্ষ্য আগামী সিনিয়র মিটে নিজেকে মেলা ধরার।

প্রশ্ন : গত বছর সোনা জিতেছিলেন, এবারও জিতলেন। তবে পারফরম্যান্সে কতটা উন্নতি হলো?

জান্নাতুল : গত বছর সোনা জিতেছিলাম আমি ১.৫১ মিটার পেরিয়ে। এবার লাফিয়েছি ১.৬১ মিটার। আমি সন্তুষ্টই এই পারফরম্যান্স নিয়ে। কারণ গত সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপেই সোনা এসেছে ১.৬০ মিটারে। আশা করি এই পারফরম্যান্সটা ধরে রেখে বা তার চেয়েও উন্নতি করে আগামী ডিসেম্বরের সিনিয়র মিটেই আমি সোনা জিততে পারব। তবে আমার লক্ষ্য জুনিয়রের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে সিনিয়রে নতুন রেকর্ড গড়ার।

প্রশ্ন : জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখেন না?

জান্নাতুল : সেই স্বপ্ন তো আছেই। সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে ভালো করেই আমার পরের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক আসরে নিজেকে মেলে ধরার। আগামী বছর এসএ গেমসেই খেলার ইচ্ছা আছে আমাদের। এর জন্য অবশ্যই আমাকে আরো ভালো করতে হবে।

প্রশ্ন : এই সময়ের মধ্যে পারফরম্যান্সের কতটা উন্নতি আশা করছেন আপনি?

জান্নাতুল : এসএ গেমসে পদকের জন্য লড়তে নিশ্চয় ১.৭০ বা ১.৭৫ মিটার লাফাতে হবে। তার মানেই আরো উন্নতি করতে হবে আমাকে।

প্রশ্ন : বিকেএসপির অ্যাথলেট হিসেবে আপনাদের তো ফেডারেশনের দেওয়া প্রশিক্ষণ সুবিধার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না?

জান্নাতুল : না, বিকেএসপিতেই আমাদের বেশ ভালো অনুশীলন হয়। তা ছাড়া একজন অ্যাথলেট হিসেবে এই প্রতিষ্ঠান থেকে যেসব সুযোগ-সুবিধা আমরা পাই, তা যথেষ্ট। এভাবে প্রশিক্ষণ চালিয়ে যেতে পারলে অবশ্যই আমার আরো ভালো করার সুযোগ আছে।

প্রশ্ন : হাই জাম্প শুরু করেছেন কি আপনি বিকেএসপিতে এসেই?

জান্নাতুল : না, বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার আগে ইন্টার স্কুল চ্যাম্পিয়নশিপেও আমি হাই জাম্প করেছি। বিকেএসপিতে এসে খেলাটা আরো বেশি করে শেখা হলো। স্কুলে প্রথম প্রথম অন্যদের যখন হাই জাম্প করতে দেখতাম, খুব কঠিন মনে হতো। এখন তো খুব ভালো লাগে।

প্রশ্ন : কাউকে আদর্শ মানেন হাই জাম্পে?

জান্নাতুল : তেমন কেউ না। ইউটিউবে, টিভিতে বিশ্বসেরা জাম্পারদের দেখেই বেশি অনুপ্রাণিত হই।

Check Also

সব চমকেই সাফল্য কিন্তু

এই এশিয়া কাপে আগের পাঁচ ম্যাচে যে দলের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি ১৬ রানের, সেই দলই …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।